এরদোয়ানঃ দ্যা চেঞ্জ মেকার


এরদোয়ানঃ দ্যা চেইঞ্জ মেকার

লেখকঃ হাফিজুর রহমান

ক্যাটাগরিঃ আত্মজীবনী, ইতিহাস

প্রকাশের সালঃ 18-02-2018

প্রচ্ছদ অলং‍করণঃ আলেক হোসাইন

মূল্যঃ ৪০০

সংস্করণঃ ১ম

মলাটঃ হার্ডকভার

ফ্লাপে লেখা কিছু কথাঃ
রেজেপ তায়্যিপ এরদোয়ান। একটি নাম। একটি আন্দোলন। একটি সংগ্রাম এবং ভবিষ্যতের একটি ইতিহাস! যদি আমাকে দুটি বাক্য দিয়ে এরদোয়ানকে মূল্যায়ন করতে বলা হয় তাহলে আমি বলব, প্রথমঃ তিনি আপাদমস্তক একজন ক্যারেশমেটিক রাজনীতিবিদ, দিত্বীয়ত ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণঃ তিনি একজন চেঞ্জ মেকার। এই বিশাল মানুষটির জীবনী নিয়ে কাজ করাটা আমার মত একজন ছোট মানুষের জন্য ছিল অনেক দুঃসাহস এবং অলিক কল্পনার।

তুরস্কের গাজী ইউনিভার্সিটিতে আমি পিএইচডি করতে আসি ২০১৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। আসার সম্ভবত একমাসের মাথায়ই এরদোয়ানের একটি প্রোগ্রামে আংশ নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল। প্রোগ্রামটি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ২০০ বছর পূর্তিতে চানাক্কালের শহীদদের স্মরণে যুবকদের অংশগ্রহণে একটি প্রোগ্রাম। তখন তুর্কিশ ভাষার জ্ঞান বলতে অ..আ..ক.. খ.. পর্যায়ের। কিন্তু এরদোয়ানের প্রায় ৪০ মিনিটের বক্তব্যের সারকথার প্রায় পুরোটাই অনুধাবন করতে পেরেছিলাম। উনার জাগরণময়ী বক্তব্যে হল ভর্তি যুবকদের নাড়িয়ে দিয়েছিল। এরদোয়ানের বক্তব্য যাদুর মত গিলছল। মনে মনে ভাবতেছিলাম নেতাতো এমনই হওয়া দরকার।



বইটির কয়েক পৃষ্ঠা পড়ুন


 Comments 4 comments

  • Nayeem Sharder says:

    বই:- এরদোয়ান দ্যা চেঞ্জ মেকার
    লেখক:- হাফিজুর রহমান
    প্রকাশনি :- গার্ডিয়ান পাবলিকেশন
    পৃষ্ঠা- ৩০৪
    মূদ্রিত মুল্য- ৪০০ টাকা
    রিভিউ লেখক:- Nayeem Sharder

    বিষয় বস্তু:-
    ———-
    নাম শুনে যতটুকু অনুমান করা যায় তার চেয়ে অনেক বেশি সমৃদ্ধ ইতিহাস নিয়ে গঠিত এই বইটি।। ভাষাগত নৈপুণ্যতার জন্যই এতো কম পৃষ্ঠায় শত শত বছরে ইতিহাস আবদ্ধ করা সম্ভব।। বইটি পড়ার আগে মনে হবে এখানে শুধু এরদোয়ানের জিবনি কিন্তু না, এখানে সেই ১২৯৯ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত তুরস্কের নানা উত্থান পতন নিয়ে আলোচিত হয়েছে। সত্যের পথে অবিচল থাকলে বিজয় যে নিশ্চিত, বইটি তারই এক দলিল। নিম্নে বইয়ের বিষয়বস্তু নিয়ে কয়েকটি পার্টে সাজানো হলো…….

    পার্ট-১. প্রাথমিক জিবন:-
    —————–
    গুনেইসুর ছোট এক মহল্লার নাম মেরকেজ মহল্লা, সেখানেই বসবাস ছিলো এরদোয়ান বংশের।। কিন্তু সেখানের জিবন যাত্রা ভালো না হওয়াতে আহমদ এরদোয়ান ইস্তামবুল চলে আসে। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে ১৯৫৪ সালের ২৬ফেব্রুয়ারি তে যে সন্তানটি জন্মায় তার নাম “রেজেপ তায়্যিব এরদোয়ান”। শিক্ষা জিবনের শুরুতেই প্রমান দিয়েছে সে যেন নেতা হয়েই জন্মেছে। ক্লাসের ক্যাপ্টেন, সাহিত্য সংসদের সভাপতি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে দায়িত্বশিল, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা যেন তার জন্য প্রথম পুরস্কার বরাদ্দ। এমন কি পুরো তুরস্কে আবৃত্তিতে প্রথম হন।

    কএকটা সময় তিনি নাম করা ফুটবলার হিসাবে পরিনত হন, অতপর বাবার সিদ্ধান্তে তা বাদ দিতে বাধ্য হয়।। বলা বাহুল্য, একসময় পারিবারিক অসচ্ছলতার কারনে তিনি বাজারে রুটি, পানি, লেবু বিক্রি করে স্কুলের বেতন ও পরিবারে সহযোগীতা করেছেন। রাজনীতির শুরুতেই ইসলামিক ছাত্র সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়। পরবর্তিতে বেইয়্যুলু যুব শাখার সভাপতি এবং ১৯৮০ সালের সাকরিক অভ্যুত্থানের রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ইস্তাম্বুলের সভাপতি ও ব্যাপক দাওয়াতি কাজ বৃদ্ধি করে।। তিনি ১৯৮২ সালে সাব-লেফটেনেন্ট হিসাবে সামরিক প্রশিক্ষন সম্পন্ন করেন।

    পার্ট-২. আধুনিক তুরস্কের রাজনীতি :-
    ———————–
    ১২৯৯ সালে উসমানি খেলাফতের গোড়াপত্তন হয়েছিলো, এশিয়া, ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশ জুরে তার বিস্তৃতি ঘটে। শিক্ষা, গবেষনা, অর্থনীতি ও সামরিক শক্তির মত সুপার পাওয়ারে অধিকারি ছিলো।। একটি সময়ে এসে পশ্চিমাদের উদারবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতা উসমানি খিলাফতে হানা দেয়।। এতে করে শিক্ষা ব্যবস্থা ও রাজনীতিতে ব্যপক পরিবর্তন ঘটতে থাকে।। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এমন পর্যায় দাড়ায় যে, ১৯০৮ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ২২ টি সরকার গঠিত হয় যার কোনটি গড়ে ৫মাসের বেশি স্থায়ী হয়নি।। আফ্রিকা, ইউরোপ মহাদেশের রাজত্ব হারায় এবং ইটালির সাথে যুদ্ধে পরাজয়।। একটি সময় বর্তমান তুরস্কের সিমানাটুকু নিতে আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, গ্রিস, ও রাশিয়া ইত্যাদিরা সরাসরি ও পরোক্ষ ভাবে যুদ্ধ করে।। সেই যুদ্ধে জয়লাপ করলেও দেশিও বামদের হাতে ক্ষমতা যায় এবং ১৯২২ সালে উসমানি খেলাফাতের বিলুপ্তি ঘোষনা করা হয়।।

    জেহেপে দলের সভাপতি মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক আধুনিক তুরস্ক করার নামে ধিরেধিরে ধর্মনিরোপেক্ষতাবাদ, উসমানি খেলাফাতের মাদ্রাসা বন্ধ, ইসলামি পোশাক বাদ, ইসলামি কৃষ্টি কালচার বাদ দিয়ে পশ্চিমা নোংরা কালচার আমদানি, চুরান্তভাবে সংবিধানে ইসলামি আইন বিলুপ্ত, উসমানি খিলাফাতের ইতিহাস মুছার জন্য ভাষার পরিবর্তন করে আরবি হরফ থেকে ল্যাটিন হরফ করা হয়, জামায়াতে নামাজ পড়া বন্ধ, আরবিতে আজান দেওয়া বন্ধ করে তুর্কি ভাষায় আজান প্রচলন শুরু করে এবং নারীদের পর্দার ব্যপারে অনেক বড় বাধা হয়ে দাড়ায়। এমন একটা সময় এসে দাড়ায় যেখানে নারীরা ঘরে হিজাব পরে থাকলেও বাহিরে ওড়না ছাড়া যেতে হতো এবং কুরআন পড়া অনেকেই ভুলতে বসেছে ও জানাজা নামাজ পড়ানোর জন্য আলেম খুজে বের করতে অনেক সমস্যায় পরতে হতো।।

    এতোটাই করুন পরিনতিতে মুসলমানরা পরে গিয়েছিলো।। যখন কোন দল তাদের বিরুদ্ধে দাড়াতে পারছিলো না তখন ডেমোক্রেটিক পার্টি জনগনের আশা যোগাতে থাকে কিন্তু জেহেপের ক্ষমতার কাছে তারা একসময় সেনা ক্যু এর মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হয় এবং তাদের নেতারা গনহারে কারাবন্দী ও মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়……..

    পার্ট-৩. মূলরাজনীতিতে এরদোয়ান,
    ইস্তাম্বুলের মেয়র ও কারাবরণ:-
    ————————–
    ১৯৮০ সালের ক্যু রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করলেও এরদোয়ান তার কাজ বন্ধ রাখেনি। গোপনে তার কাজ চালিয়ে যায়।১৯৮৪ সালে রেফা পার্টির বেইয়্যুলু জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়।। এই এলাকায় রেফা পার্টি তেমন কোন বা জনপ্রিয়তা ছিল না। কিন্তু এরদোয়ান বেইয়্যুলু পৌরসভার মেয়র নির্বাচন করেন এবং নির্বাচনি কৌশল ও দাওয়াতিকাজের মাধ্যমে শূন্য থেকে রেফা পার্টিকে শক্ত অবস্থানে দাড় করায়। পরবর্তিতে ইস্তাম্বুলের মত জেহেপে শক্তিশালি জায়গায় মেয়র পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু দলে প্রধানরা এটা অসম্ভ বলে দাবি করে তাকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য বলে।।

    এরদোয়ান অনেক জোরজবরদস্তি করে সেখানকার মেয়র নির্বাচনের প্রার্থী হন।। ১৯৮৯ সালে জেহেপের নুরুদ্দিন নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হলেও কাজের বেলা কিছু করেনি। যার ফলে ১৯৯০ সালে সপ্তাহের পর সপ্তাহ পানি শূন্যতা, রাস্তা ঘাটে ময়লার স্তুব হতে লাগলো। ইস্তাবুলের জনগনের নানা রোগে আক্রান্ত হতে লাগলো।। ১৯৯৩ সালে গ্যাসের বিরাট সমস্যা শুরু হলো। যার কারনে জনগন টেক্স দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।। ঠিক সেই সময়ে এদোয়ানের মেয়র প্রার্থী হিসাবে আগমন।। ইস্তাম্বুল নিয়ে পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগনের সামনে হাজির।।

    অতপর তিনি নির্বাচনে ১লক্ষের অধিক ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়।। আর ক্ষমতার ১০০ দিনের মধ্যে ইস্তাম্বুল কে এতোটাই পরিবর্তন করে যে, এর আগে যারা ইস্তাম্বুলে এসেছিলো তারা পরবর্তিতে এসে চিনতে কষ্ট হয়ে গেছিলো। পরিষ্কার রাস্তাঘাট, পার্ক- বাগান, পানি শূন্যতা রোধ ও গ্যাসের সমস্যা সমাধান ইত্যাদিতে অল্পদিনে এতোটাই ঝাকঝমক হয় যার কারনে পুরো তুরস্কে তার নাম ছড়িয়ে পরে। এরপর ১৯৯৭ সালে সমাবেশে কবিতা আবৃতিকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রদোহী মামলা দায় করা হয় তার বিরুদ্ধে।। অতপর ১২০ দিন পরে জেল থেকে মুক্তি পেলেও রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিলো।

    পার্ট-৪. একে পার্টি গঠন, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী
    ও প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন:-
    —————————-
    যখন তুরস্কের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ও নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তখন ফাজিলত পার্টির অর্ধেক, আনাভাতান পার্টি, জেহেপেসহ আর দুইএকটি দলের এমপি মিলে ৫৫ জন এমপি একে পার্টিতে যোগ দিলো।। এরদোয়ান প্রতিটি জেলায় জেলায় সফর করে ও জনসভা করে। তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। কিন্তু সমস্যা হলো তিনি তখনও রাজনীতি থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ।। কোন ভাবেই আদালত তার পক্ষে রায় দিচ্ছে না বরং তাকে ছয় মাসের মধ্যে পার্টি থেকে বের করে দেয়ার জন্য আদালত চিঠি পাঠায়।। তিনি আদালতে কোন নোটিশ তোয়াক্কা না করে তার কাজ চালিয়ে যায় পুরোদমে এবং বলতেন আমি জয়ি হবোই।। একদিকে যেমন মিডিয়ার প্রচার চলছে এরদোয়ানের রাজনীতি নিষিদ্ধ অন্যদিকে তার কাজের স্প্রিট বাড়াতে লাগলো।। যখন কোন ভাবেই নির্বাচনের প্রার্থী হতে পারছেন না এদিকে আবার নির্বাচনও চলে আসলো।। অতপর আল্লাহর রহমতে ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে এরদোয়ান প্রধানমন্ত্রী.!! শুরু হলো ভিশন ২০২৩ বাস্তবয়নে নিরন্তর ছুটে চলা।

    রাজনীতি, শিক্ষা ব্যবস্থা, গবেষণা, ধর্মিও কার্যক্রমের প্রসার প্রচার এবং নারী সমাজের বহু আকাঙ্ক্ষিত এক স্বাধীনতা হিজাব পরতে পারলো।। হিজাব বাস্তবায়নে এরদোয়ানের এতো বেশি পরিশ্রম ও জামেলা পোহাতে হয় তা লিখে শেষ করা যাবে না।। ধর্মিও কাজ বাস্তবায়নের কারনে পার্টি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়।। কিন্তু জনগনের মাধ্যমে রক্ষা পায়।। জনগনের কাছে সফলতার ধারাবাহিকতার মধ্যে দিয়ে আব্দুল্লাহ গুলের পর তিনি সরাসরি জনগনের ভোটের মাধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়।। এরদোয়ান তুরস্কের সকল প্রকার অরাজকতা, সহিনসতা মুক্তির এক বাহুতে পরিনত হয়।।

    পার্ট-৫. ১৫জুলাইয়ের ক্যু, বিশ্ব রাজনীতি
    ও নেতৃত্বের গুনাবলী:—
    —————————
    রাত ১০.৩০ মিনিটে গোলাগুলির শব্দ, রাস্তায় সেনাবাহিনীর গাড়ি। কেউ কিছু বুজে উঠতে পারলো না। রাত ১২টার পরে টিভি থেকে ঘোষনা এলো সেনাবাহিনীর একটি অংশ ক্যু করেছে। আর তখন এরদোয়ান সফরে ছিলো। ১২.৩০ মিনিটে এরদোয়ান স্কাইপিতে ৪/৫ মিনিটে জনগন কে সেনাবাহিনীর ক্যু ব্যর্থ করতে ডাক দিলো। ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে ঝাকেঝাকে মানুষ বেড়িয়ে পরলো। এরদোয়ান তার জিবনের ঝুকি নিয়ে সত্যিকারের নেতার মত তাৎক্ষনিক হেলিকেপ্টরে চলে আসে।।

    বইটিতে সুন্দর ভাবে বর্ননা করা হয়েছে কিভাবে জনগন ট্যাঙ্কের সামনে খালি হাতে প্রতিবাদ করে ছিলো।। অবশেষে এক ঐতিহাসিক গতন্ত্রের জয় হয়।। বিশ্ব রাজনীতিতে একে পার্টির পরিচয় হয়। আমেরিকা, রাশিয়া, ইউরোপ, এবং মুসলিম বিশ্বের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।। এতো কিছু অর্জন শুধু মাত্র একটা গুনেই সম্ভব তাহলো নেতৃত্বের অসাধারন গুনাবলি।। তার গুনের মধ্যে অন্যতম হলো আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা-বিশ্বাস, প্রচুর অধ্যায়ন, পরামর্শভিত্তিক কাজ, কাজের তত্ত্বাবধায়ন, পরিশ্রম, সহজ সরল জিবন ও যুবকদের প্রাধান্য।। বইটিতে এরদোয়ানের কিছু অসাধারন বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে যেমন:- আমরা শিয়া কিংবা সুন্নি নামে কোন ধর্ম জানি না। আমাদের একটি মাত্র ধর্ম, আর তা হলো ইসলাম। আমরা ইসলামের সেই ঐক্যের ছায়াতলে একত্রিত হব………।

    একে পার্টির ক্ষমতার ১৫ বছর পূর্ন হলো, ১৯ সাল পর্যন্ত থাকলে ১৭ বছর পূর্ন হবে। সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে কেমন অসাধারন নেতৃত্বের গুন থাকলে এতো প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্যেও পুরো তুরস্ককে একজন ফেরিওয়ালা চেঞ্জ করে দিলো..!! এবার ভাবতে থাকুন আপনি আমি এই দেশটার জন্য কি করেছি..?? ভাবুন, ভাবতে বাধ্য…

  • আব্দুল বাসেত says:

    বইটি অসাধারণ লিখেছেন বইটি অনলাইনে কবে আসবে ভাই। আমি সিঙ্গাপুরে থাকি যদি সিঙ্গাপুরে কোথাও এটা পাওয়া যায় তাহলে আমাকে জানাবেন আমি সংগ্রহ করবো ইনশাআল্লাহ।

  • এরদোয়ান একটি বিস্ময়। একটি দেশ ও সমাজকে কিভাবে পরিবর্তন করতে হয়, তা তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন। অনেক প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে আজ তিনি এ পর্যায়ে এসেছেন। নিজে মেয়র পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন ও জেল-জুলুম সহ্য করেছেন। আবার তাঁর পার্টি বারবার নিষিদ্ধ হয়েছে। কিন্তু তিনি কখনই সাহসহারা হননি ও গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা থেকে সামান্যতম সরে যাননি। পার্টি নিষিদ্ধ করার সাথে সাথে নতুন পার্টি গঠন করেছেন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।
    এই রিভিউ বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুনঃ (https://www.facebook.com/tohurahmad.hilali/posts/2211416382430183)

    • Md Mostafizur Rahman says:

      বইটি অসাধারণ লিখেছেন বইটি অনলাইনে কবে আসবে ভাই।

  • Leave a Reply

    Your email address will not be published. Fields with * are mandatory.

    গার্ডিয়ান পাবলিকেশন © ২০১৭-১৮
    Developed by: Al-Amin Firdows